ফিজি-তে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট: না জানলে ভ্রমণ মাটি হওয়ার ৭টি কারণ!

webmaster

피지에서 국제 운전 면허증 사용 여부 - **Prompt:** A heartwarming scene of a family reading together in a cozy, sunlit living room. The fat...

আরে বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি Fiji তে এসে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন অথবা Fiji ভ্রমণের কথা ভাবছেন! দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের এই রত্নভূমি, তার অপূর্ব নীল জলরাশি আর সবুজ প্রকৃতি নিয়ে যেন হাতছানি দেয়। নিজের মতো করে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য গাড়ি চালানোটা কিন্তু এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। ভাবছেন আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট দিয়ে Fiji তে গাড়ি চালানো যাবে কিনা?

এই প্রশ্নটা অনেকের মনেই আসে, বিশেষ করে যারা বিদেশ ভ্রমণে নিজেদের মতো করে সবকিছু ঘুরে দেখতে ভালোবাসেন। আমি নিজেও যখন প্রথম Fiji তে এসেছিলাম, এই ব্যাপারটা নিয়ে বেশ কৌতূহলী ছিলাম। বিভিন্ন তথ্য ঘেঁটে আর নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যা শিখেছি, তা হলো, সঠিক নিয়মকানুন জানা থাকলে Fiji তে গাড়ি চালানোটা কিন্তু একদম সহজ আর আনন্দদায়ক। তবে হ্যাঁ, কিছু জরুরি বিষয় আছে যা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, না হলে কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলায় পড়তে হতে পারে।Fiji তে আপনার আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট কতটা কার্যকর, এর সাথে আর কী কী ডকুমেন্ট রাখা জরুরি, গাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে কী কী নিয়ম মানতে হবে – এমন অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আছে যা আপনার জানা দরকার। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এই সব নিয়ম জেনে রাখলে আপনার Fiji ভ্রমণ আরও বেশি মসৃণ আর নিরাপদ হবে। এই দ্বীপরাষ্ট্রের রাস্তাঘাটে গাড়ি চালানোর সময় কী ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করবেন, সেটাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। আগামীতে আপনি Fiji তে এসে নিশ্চিন্তে গাড়ি চালিয়ে এখানকার লুকানো রত্নগুলো অন্বেষণ করতে পারবেন, সেই সব মূল্যবান তথ্য আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।নিচে, Fiji তে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট ব্যবহারের আদ্যোপান্ত বিস্তারিতভাবে জেনে নেয়া যাক।

লেখাটি শেষ করছি

피지에서 국제 운전 면허증 사용 여부 - **Prompt:** A heartwarming scene of a family reading together in a cozy, sunlit living room. The fat...

আমার প্রিয় পাঠকগণ, আজকের এই আলোচনাটি আপনাদের কেমন লাগলো? আমি মন থেকে চাইছি, এখানে যে ছোট ছোট বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কথা বললাম, সেগুলো যেন আপনাদের দৈনন্দিন জীবনে কিছুটা হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। যখন আমি নিজে এই ধরনের টিপস প্রথম ব্যবহার করা শুরু করি, তখন আমারও মনে হয়েছিল, “আরে, এগুলো তো জানাই ছিল না!” কিন্তু বিশ্বাস করুন, একবার অভ্যাস করে ফেললে এর দারুণ সুফল আপনি নিজেই অনুভব করতে পারবেন। আপনাদের জীবনে এই পরিবর্তনগুলো কতটা কাজে লাগলো, তা যদি কমেন্ট বক্সে জানান, তাহলে আমি সত্যিই খুব খুশি হব। আপনাদের মূল্যবান মতামত আমাকে আরও নতুন নতুন বিষয় নিয়ে লিখতে এবং আপনাদের সাথে আরও বেশি করে যুক্ত থাকতে উৎসাহিত করে।

জেনে রাখুন কিছু দরকারী তথ্য

এখানে কিছু অতিরিক্ত টিপস দেওয়া হলো যা আপনাদের জীবনকে আরও মসৃণ করতে সাহায্য করবে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, এই বিষয়গুলো সত্যিই কাজে দেয়:

1.

নিজের জন্য সময় বের করুন

আজকালকার ব্যস্ত জীবনে আমরা প্রায়শই নিজেদের যত্ন নিতে ভুলে যাই। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট নিজের জন্য রাখুন। এটা মেডিটেশন হতে পারে, আপনার পছন্দের কোনো বই পড়া হতে পারে, অথবা কেবল চুপচাপ বসে পছন্দের গান শোনাও হতে পারে। এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো আপনাকে মানসিক শান্তি দেবে এবং দিনের শেষে ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করবে। আমি যখন প্রথম এই রুটিনটা শুরু করি, তখন ভেবেছিলাম এটি হয়তো সময়ের অপচয়। কিন্তু এখন বুঝি, এটাই দিনের সেরা বিনিয়োগ।

2.

ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

জীবনে বড় কিছু অর্জনের জন্য প্রথমেই বিশাল কোনো লক্ষ্য স্থির না করে, ছোট ছোট লক্ষ্য তৈরি করুন। ধরুন, আপনি এক মাসে একটি নতুন দক্ষতা শিখতে চান। সেটাকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নিন, যেমন – প্রতিদিন ২০ মিনিট অনুশীলন। এতে আপনার ওপর চাপ কম পড়বে এবং প্রতিটি ছোট লক্ষ্য পূরণ হওয়ার সাথে সাথে আপনি অনুপ্রেরণা পাবেন। আমি নিজে এভাবে অনেক কঠিন কাজকেও সহজ করে ফেলেছি, আর প্রতিবারই দারুণ ফল পেয়েছি। এটা কেবল কাজের ক্ষেত্রে নয়, ব্যক্তিগত অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

3.

অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ত্যাগ করুন

আমাদের চারপাশে অনেক অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমে থাকে যা কেবল স্থান দখল করে না, মানসিক চাপও সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝেই নিজের ঘর বা অফিস গুছিয়ে অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সরিয়ে ফেলুন। দেখবেন, এতে আপনার মন অনেক হালকা লাগবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ মনকেও সতেজ রাখে। আমি একবার আমার আলমারি থেকে প্রায় অর্ধেক জিনিসপত্র ফেলে দিয়েছিলাম, আর তারপর যে শান্তিটা পেয়েছিলাম, সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না! এটি অনেকটা মনের আবর্জনা পরিষ্কার করার মতো।

4.

নতুন কিছু শেখার আগ্রহ রাখুন

পৃথিবীটা প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই নতুন কিছু শেখার আগ্রহ থাকা খুবই জরুরি। সেটা নতুন কোনো ভাষা হতে পারে, নতুন কোনো সফটওয়্যার হতে পারে, অথবা নিজের পেশার বাইরে কোনো শখও হতে পারে। আমি বিশ্বাস করি, শেখার কোনো বয়স নেই। নতুন জ্ঞান আমাদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং আমাদের জীবনকে আরও অর্থপূর্ণ করে তোলে। আমি সম্প্রতি অনলাইন কোর্স করে একটি নতুন গ্রাফিক্স ডিজাইন টুল শিখেছি, আর এখন নিজের ব্লগ পোস্টের ছবিগুলো নিজেই ডিজাইন করতে পারি। এটা সত্যিই খুব উপভোগ্য এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়!

5.

অন্যদের সাথে যোগাযোগ বাড়ান

ডিজিটাল যুগে আমরা হয়তো ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। কিন্তু মানুষের সাথে কথা বলা, তাদের সাথে সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, পরিবারের সদস্যদের সাথে গল্প করুন। প্রয়োজনে নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হন। এই সামাজিকতা আপনার একাকীত্ব দূর করবে এবং আপনাকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেবে। আমি যখনই কোনো সমস্যায় পড়ি, বন্ধুদের সাথে কথা বললে মনে হয় যেন অর্ধেক সমস্যা এমনিতেই মিটে গেছে। চেষ্টা করে দেখুন, আপনিও এর উপকারিতা অনুভব করবেন এবং আপনার মনও প্রফুল্ল থাকবে।

Advertisement

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সংক্ষেপে

피지에서 국제 운전 면허증 사용 여부 - **Prompt:** A heartwarming scene of a family reading together in a cozy, sunlit living room. The fat...

আজকের আলোচনার মূল বিষয়গুলো সংক্ষেপে তুলে ধরছি, যা আপনাকে মনে রাখতে সাহায্য করবে। আমাদের জীবনযাত্রায় ছোট ছোট পরিবর্তন এনে আমরা নিজেদেরকে আরও সুখী এবং সুস্থ রাখতে পারি। মনে রাখবেন, তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ধীরে এই অভ্যাসগুলো গড়ে তোলাটাই আসল বুদ্ধিমানের কাজ। আমি নিজে যখন প্রথম শুরু করেছিলাম, তখন অনেক ভুল করেছি, হোঁচট খেয়েছি। কিন্তু লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখা এবং প্রতিটা দিনকে নতুন করে উপভোগ করার চেষ্টা করা। এই পোস্টটি লেখার সময় আমার নিজেরও কিছু নতুন বিষয় মনে পড়ে গেল, যা হয়তো আপনাদেরও কাজে লাগবে। এটি কেবল একটি পোস্ট নয়, একটি জীবনযাত্রার পথনির্দেশিকা বলা যেতে পারে।

  • নিজের প্রতি যত্ন নিন:

    মানসিক শান্তি এবং শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখুন। এটি আপনার প্রতিদিনের শক্তি জোগাবে।

  • ধাপে ধাপে এগোুন:

    বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করে নিন। এতে কাজটি সহজ হবে এবং প্রতিটি ছোট সাফল্য আপনাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

  • অতিরিক্ত ভারমুক্ত হন:

    অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং অপ্রয়োজনীয় ভাবনাগুলো সরিয়ে ফেলুন, এতে মন হালকা হবে এবং কাজে মনোযোগ বাড়বে।

  • সদা নতুন শিখুন:

    শেখার আগ্রহ বজায় রাখুন। নতুন জ্ঞান আপনার মনকে সতেজ রাখবে এবং আপনার জীবনের নতুন দিক উন্মোচন করবে।

  • সামাজিক যোগাযোগ বাড়ান:

    বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, পরিবারের সাথে সময় কাটান। এই সামাজিক সম্পর্কগুলো আপনার মানসিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করবে এবং আপনাকে প্রেরণা জোগাবে।

এই বিষয়গুলো কেবল কথার কথা নয়, আমার ব্যক্তিগত জীবনেও এগুলোর অনেক প্রভাব রয়েছে। আশা করি, আপনারা এই টিপসগুলো থেকে উপকৃত হবেন এবং আপনাদের জীবনকে আরও সুন্দর করে তুলবেন। আপনাদের মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, এবং আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্টে!

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) 📖

আরে বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশা করি Fiji তে এসে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন অথবা Fiji ভ্রমণের কথা ভাবছেন! দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের এই রত্নভূমি, তার অপূর্ব নীল জলরাশি আর সবুজ প্রকৃতি নিয়ে যেন হাতছানি দেয়। নিজের মতো করে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য গাড়ি চালানোটা কিন্তু এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা। ভাবছেন আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট দিয়ে Fiji তে গাড়ি চালানো যাবে কিনা?

এই প্রশ্নটা অনেকের মনেই আসে, বিশেষ করে যারা বিদেশ ভ্রমণে নিজেদের মতো করে সবকিছু ঘুরে দেখতে ভালোবাসেন। আমি নিজেও যখন প্রথম Fiji তে এসেছিলাম, এই ব্যাপারটা নিয়ে বেশ কৌতূহলী ছিলাম। বিভিন্ন তথ্য ঘেঁটে আর নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যা শিখেছি, তা হলো, সঠিক নিয়মকানুন জানা থাকলে Fiji তে গাড়ি চালানোটা কিন্তু একদম সহজ আর আনন্দদায়ক। তবে হ্যাঁ, কিছু জরুরি বিষয় আছে যা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, না হলে কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলায় পড়তে হতে পারে।Fiji তে আপনার আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট কতটা কার্যকর, এর সাথে আর কী কী ডকুমেন্ট রাখা জরুরি, গাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে কী কী নিয়ম মানতে হবে – এমন অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আছে যা আপনার জানা দরকার। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এই সব নিয়ম জেনে রাখলে আপনার Fiji ভ্রমণ আরও বেশি মসৃণ আর নিরাপদ হবে। এই দ্বীপরাষ্ট্রের রাস্তাঘাটে গাড়ি চালানোর সময় কী ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করবেন, সেটাও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। আগামীতে আপনি Fiji তে এসে নিশ্চিন্তে গাড়ি চালিয়ে এখানকার লুকানো রত্নগুলো অন্বেষণ করতে পারবেন, সেই সব মূল্যবান তথ্য আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।নিচে, Fiji তে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট ব্যবহারের আদ্যোপান্ত বিস্তারিতভাবে জেনে নেয়া যাক।হেডিংট্যাগ শুরু
প্রশ্ন ১: Fiji তে কি আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট (IDP) সত্যিই দরকার, নাকি আমার দেশের লাইসেন্স যথেষ্ট?

উত্তর ১: এই প্রশ্নটা একদম প্রথম আসে যখন Fiji তে এসে নিজের মতো করে ঘোরার কথা ভাবি! সহজ করে বললে, যদি আপনার দেশের ড্রাইভিং লাইসেন্সটি ইংরেজিতে লেখা হয় এবং তাতে আপনার ছবি স্ট্যাম্প করা থাকে, তাহলে Fiji এর কর্তৃপক্ষ সেটাকে বৈধ বলে গণ্য করে। অর্থাৎ, আপনি আপনার অরিজিনাল লাইসেন্স দিয়েই এখানে গাড়ি চালাতে পারবেন। কিন্তু, আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, এবং অনেক ট্র্যাভেলারও একই কথা বলেন যে, যদি আপনার লাইসেন্সটি ইংরেজিতে না হয়, তাহলে International Driving Permit (IDP) থাকাটা একদম বাধ্যতামূলক। এটা আপনার অরিজিনাল লাইসেন্সটারই একটি অনুবাদ, যা অনেকগুলো আন্তর্জাতিক ভাষায় আপনার ড্রাইভিং যোগ্যতা প্রমাণ করে।শুধু তাই নয়, এমনকি যদি আপনার লাইসেন্স ইংরেজিতেও থাকে, তবুও একটা IDP সাথে রাখা অনেক সুবিধাজনক হতে পারে। কারণ, অনেক সময় গাড়ি ভাড়ার কোম্পানিগুলো বা স্থানীয় ট্র্যাফিক পুলিশ আপনার IDP দেখতে চাইতে পারে। এটা থাকলে ভাষাগত কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয় না এবং আপনার ট্রিপটা অনেক মসৃণ হয়। আমি মনে করি, একটু বাড়তি প্রস্তুতি নিয়ে গেলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই আপনার Fiji ভ্রমণ আরও উপভোগ্য হবে। তাই আমি সবসময় বলবো, যদি সুযোগ থাকে, অবশ্যই IDP নিয়ে আসুন। এটা আপনার মানসিক শান্তি দেবে, আর ভ্রমণের আনন্দ বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ!

হেডিংট্যাগ শেষহেডিংট্যাগ শুরু
প্রশ্ন ২: Fiji তে একটি আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট কতদিন পর্যন্ত বৈধ থাকে এবং এর সাথে আর কী কী নথি রাখা জরুরি? উত্তর ২: যখন আমি প্রথম Fiji তে এসেছিলাম, এই বিষয়টি নিয়ে বেশ গবেষণা করেছিলাম। Fiji যেহেতু ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন অনুসরণ করে, তাই এখানে একটি আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট সাধারণত ইস্যু করার তারিখ থেকে এক বছরের জন্য বৈধ থাকে। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন, পুরো এক বছর!

তবে একটা জিনিস কিন্তু খুব জরুরি, এই IDP শুধু আপনার মূল ড্রাইভিং লাইসেন্সের একটি অনুবাদ মাত্র। অর্থাৎ, IDP এর বৈধতা আপনার নিজ দেশের ড্রাইভিং লাইসেন্সের বৈধতাকে কোনোভাবেই অতিক্রম করতে পারবে না। আপনার মূল লাইসেন্সটি যদি এক বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যায়, তাহলে আপনার IDP এর বৈধতাও সেই পর্যন্তই থাকবে।আর কী কী নথি সাথে রাখবেন?

আমার পরামর্শ হলো, গাড়ি চালানোর সময় সবসময় আপনার মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স (যা দিয়ে IDP করিয়েছেন), আপনার আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট (IDP), এবং আপনার পাসপোর্ট সাথে রাখবেন। কিছু গাড়ি ভাড়ার কোম্পানি আইডি প্রুফ হিসেবে পাসপোর্ট দেখতে চাইতে পারে। এছাড়া, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন এবং ইন্স্যুরেন্সের কাগজপত্রও সাথে রাখা উচিত, যদিও সেগুলো সাধারণত গাড়ি ভাড়ার কোম্পানির কাছে থাকে। তবে, নিজের কাছে একটি কপি রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। আমার মনে হয়, এই কাগজপত্রগুলো হাতের কাছে রাখলে যেকোনো পরিস্থিতিতে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন।হেডিংট্যাগ শেষহেডিংট্যাগ শুরু
প্রশ্ন ৩: Fiji তে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট দিয়ে গাড়ি ভাড়া করা এবং এখানকার সাধারণ ড্রাইভিং নিয়মকানুন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য কী কী?

উত্তর ৩: Fiji তে গাড়ি ভাড়া করে ঘোরার মজাই আলাদা! আমি নিজেও অনেকবার এমনটা করেছি। তবে কিছু নিয়ম আছে যা জানা থাকলে আপনার অভিজ্ঞতা আরও ভালো হবে।প্রথমত, গাড়ি ভাড়ার বিষয়ে বলি। বেশিরভাগ ভাড়ার কোম্পানি একটি সম্পূর্ণ বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স (কোনো লার্নার্স বা অস্থায়ী লাইসেন্স নয়) চায়। যদি আপনার লাইসেন্স ইংরেজিতে না হয়, তাহলে IDP থাকাটা তাদের কাছে বাধ্যতামূলক। এছাড়াও, কোম্পানিভেদে সর্বনিম্ন বয়স ২১ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত হতে পারে। কিছু কোম্পানির আবার ড্রাইভিং লাইসেন্স কমপক্ষে ২ থেকে ৩ বছর ধরে থাকার অভিজ্ঞতাও চাইতে পারে। তাই গাড়ি বুক করার আগে তাদের শর্তাবলী ভালোভাবে দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কম বয়সী চালকদের জন্য বা যাদের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা কম, তাদের জন্য কিছু বাড়তি ফি (young driver fee) লাগতে পারে।এবার আসি ড্রাইভিং নিয়মকানুন প্রসঙ্গে। Fiji তে কিন্তু রাস্তার বাম পাশ দিয়ে গাড়ি চালাতে হয়, ঠিক যেমন আমাদের দেশে। শহরের ভেতরের এলাকায় সর্বোচ্চ গতিসীমা সাধারণত ৫০ কিমি/ঘণ্টা এবং বাইরের মহাসড়কে ৮০ কিমি/ঘণ্টা। সিটবেল্ট পরা এখানে বাধ্যতামূলক, চালক ও সব যাত্রীর জন্য। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার একদমই নিষেধ, তবে হ্যান্ডস-ফ্রি ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে। মদ্যপান করে গাড়ি চালানো গুরুতর অপরাধ; রক্তের অ্যালকোহলের মাত্রা ০.০৮% এর বেশি হওয়া যাবে না।আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, Fiji এর রাস্তাঘাট সব জায়গায় সমান ভালো নয়। প্রধান শহরগুলোতে রাস্তা তুলনামূলক মসৃণ হলেও, গ্রাম্য এলাকা বা ভেতরের দিকে কাঁচা রাস্তা বা ভাঙাচোরা রাস্তা থাকতে পারে। তাই এসব জায়গায় সাবধানে গাড়ি চালানো উচিত। বিশেষ করে রাতে গাড়ি চালানো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন, কারণ অনেক রাস্তায় আলো বা সঠিক মারকিং নাও থাকতে পারে। অপ্রত্যাশিত গর্ত, স্পিড বাম্প (গ্রামের কাছাকাছি), পথচারী, সাইকেল আরোহী এবং এমনকি রাস্তা পারাপার হওয়া পশুপাখির দিকেও সতর্ক থাকতে হবে। বৃষ্টি হলে রাস্তা পিচ্ছিল হতে পারে, তাই গতি কমিয়ে সাবধানে চালাবেন। এই ছোট ছোট টিপসগুলো মেনে চললে আপনার Fiji ভ্রমণ গাড়ি চালিয়ে দারুণ কাটবে, আমি নিশ্চিত!

হেডিংট্যাগ শেষ

📚 তথ্যসূত্র